কাঁচা হলুদ ব্যবহারের উপকারীতা Benefits of using raw turmeric

মসলাজাতীয় ফসলের মধ্যে হলুদ অন্যতম ।কাঁচা এবং গুড়া হলুদের ব্যবহার ব্যাপক ।সাধারণত খাবার রং করার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায় ।শারীরিক প্রয়োজনেও এর ব্যবহার অনেক কার্যকরী ।শুধু মাত্র কাঁচা হলুদ দিয়ে বিভিন্ন রকম রোগ নিরাময় করা সম্ভব। নিচে কাঁচা হলুদের উপকারিতা সস্পর্কে   আলোচনা করা হলো ।

১.মাথার যন্ত্রনা কমায়ঃ( Reduces headaches):খুব বেশি মাথা যন্ত্রনা হলে এক কাপ হলুদ মেশানো দুধ ক্ষেতে পারেন। এতে মাথা ব্যাথা খুব দ্রুত নিরাময় হবে। কারণ হলুদের ভিতরে থাকা কার্কিউমিন উপাদান শরীরের অন্দরের প্রদাহ কমায়। যার ফলে খুব দ্রুত মাথা ব্যাথা থেকে শুরু করে অন্দরের অনেক ব্যাথা সারিয়ে তোলে।

 ২. হজম শক্তি বৃদ্ধিঃ (Digestive power increase):হজম শক্তি বাড়াতে কাঁচা হলুদের জুরি নাই।হলুদ সেবনে গ্যাস, অম্বলের মতো নানা সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভুমিকা পালন করে থাকে।

৩. রক্তকে বিষ মুক্ত করেঃ(Detoxifies the blood):শরীরকে চাঙ্গা রাখতে হলুদ খুব গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে থাকে।এই প্রাকিতিক উপাদানটির মধ্যে থাকা কার্কিউমিন, রক্তে উপস্থিত ক্ষতকর টকসিক উপাদান বের করে দেয়।সেই সংঙ্গে ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগভোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক হ্রাস পায়।

৪.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ (Increases immunity): শীতকালে মানুষ সব থেকে বেশি অসুস্থ হয়ে থাকে। কারণ শীথকালে নানা কারণে আমাদের রোগ প্রতিরোধ  ক্ষমতা কমে যায়। যে কারণে শীতকালে নিয়মিত হলুদ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে চিকিৎসকরা। এই হলুদে বিদ্যমান একাধিক উপকারী উপাদান থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বদ্ধি করে।যার ফলে মানুষের রোগ অনেক কম হয়ে থাকে।

৫.হাঁচি-কাচি হওয়ার আশষ্কা কমেঃ (Decreased risk of sneezing):হলুদে বিদ্যমান এনটি-ব্যাকটেরিয়াল এবং এনটি-ভাইরাল একদিকে যেমন নানা বধি সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে তেমনি এর মধ্যে থাকা এনটি ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টিজ রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন এবং সর্দি কাশি কমাতে কাঁচা হলুদের গুরুত্ব অপরীসিম ।যার কারণে বছরের বিশেষ  একটা সময় বাচ্চাদের হলুদ খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৬.পিড়িয়ডের কষ্ট কমায়ঃ(Reduces period pain):প্রত্যেকটা মহিলার মাসের একটা বিশেষ সময়ে নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। যেটা অনেক সময় খুব বেশি য়ন্ত্রনাদায়ক হয়ে থাকে।এই পরিস্থিতে যদি অল্প পরিমাণে কাঁচা হলুদ খেয়ে নেওয়া যায় তাহলে অনেক উপকারে আসে।

 ৭.অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলেঃ(Reduce excess weight): ওজন কমাতে কাঁচা হলুদ কার্যকারীতা  অনেক বেশি।অতিরিক্ত ওজন কমাতে নিয়মিত কাঁচা হলুদ সেবন করতে পারেন। যার ফলে আপনাকে নিয়ম করে ব্যায়াম করতে হবে না।

৮.লিভার টনিক হিসাবে কাজ করেঃ(Acts as a liver tonic):লিভার কে সচল রাখতে কাঁচা হলুদের কোনো বিকল্প নাই।কারণ এর মধ্যে থাকা কার্কিউমিন নামক উপাদনটি লিভারের কার্য ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে লিভারের  ধারে কাছে রোগ ভিরতে পারে না। লিভারের জমে থাকা বর্জ পদার্থ বের করতে কাঁচা হলুদের বিকল্প নাই।লিভারের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশংক্ষা থাকে না।

৯.ত্বকের সৌন্দয বাড়ায়ঃ (Enhances skin beauty): বর্তমান সময়ে ত্বকের সৌন্দয বৃদ্ধি করতে মানুষ অনেক কসমের্টিকস ব্যবহার করে থাকে।এতে অনেক প্বার্শপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।এসব প্বার্শপ্রতিক্রিয়া এরাতে ত্বকের যন্তে আপনারা কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।এ ছাড়া কাঁচা হলুদ আপনার মুখের বর্ণ ও কালো দাগ দুর করতে সাহায্য করে।শীতকালেও যদি ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে চান তাহলে এখনি হলুদ দুধ খাওয়া শুরূ করুন

আদার রসের বহুবিধ উপকারিতা(Multiple benefits of ginger juice)

রোগ সারাতে আদার রসের বহুবিদ উপকারিতা,গুনাগুন এবং ব্যবহার রয়েছে।আদার রস রোগ সারাতে বহুবিধ কাজে লাগে। আদা বা আর্দ্রক(বৈজ্ঞানিক নামঃZingiber Officinale) হচ্ছে জিঞ্জিবারাসি পরিবারের জিঞ্জিবার গুণের ছোট রাইজোমসমৃদ্ধ বীরৎ। এদের রাইজোম সুগন্ধী,ঝাঁঝালো স্বাদ, ভিতরের রং ফিকে হলুদ। আদা গাছের পত্রল কান্ড প্রায় ০.৫-১.০ মি. লম্বা।

১.নতুন সর্দি,কাশি ও জ্বর ভাবঃ আদার রসে একটু মধু মিশিয়ে খেলে উপকার হয়, এতে সর্দি কাশি সারে,শ্বাস রোগে উপকার হয়। আদার রস ও পাতিলেবুর রস মধু সমপরিমানে মিশিয়ে তাতে পিপুল মিশিয়ে দিনে ২/৩ বার খেলে কাশি সেরে যায়।

২.বসন্তঃ আদার রস ১চা চামচ এ তুলসি পাতার রস ১চা চামচ এক সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। যারা বসন্তের চিকিৎসা করেন তারা বলেন এর দ্বারা বসন্তের গুটিগুলি তাড়াতারি বরেিয়ে পরে।

৩.অরুচি ভাবঃ সিকিকাপ জলে ২চা চামচ আন্দাজ আদার রস ও সামান্য লবণ মিশিয়ে ১০-১‌৫ মিনিট মুখে পুরে রাখতে হয়, তারপর ফেলে দিতে হয়, এতে খাওয়ার রুচি ফিরে আসে। আর লবণ না দিয়ে ঔই জ্ল মুখে রাখলে সান্নিপাতিক দোষ জনিত দাঁতের মাড়ি ফোলা আরাম হয়।

৪.জ্বর ও ম্যলেরিয়া সারাতেঃ আদা আর পুদিনার ক্বাথ খেলে জ্বর ছেড়ে যায়। ম্যলেরিয়ার পক্ষে উপকারি।

৫.বায়ুঃ এই সমস্যা যাদের হয় তাদের আদা পুদিনার ক্বাথ খুব কাজে দেয়। ১-১.৫চা চামচ আদার রস মধু মিশিয়ে খেলে বায়ু দুর হয়্।

৬.বমি বন্ধ করতেঃ আদা ও পেঁয়াজ এর রস ১চা চামচ করে মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যায়।

৭. কফ দুর করতেঃ কফ যাদের থাকে তাদের পক্ষে আদা ও পুদিনার ক্বাথ খুব কাজে দেয়। এছাড়া ১-১.৫চা চামচ আদার রসে মধু মিশিয়ে খেলে গলাায় জমে থাকা কফ মুক্ত হয়ে যায়।

৮.পেটের রোগ সারেঃ আদার রস ১চা চামচ, দিনার রস ১চা চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে পেটের ব্যথা বা উদর শূলের কষ্ট কমে যায়। আদার রস নাভিতে লাগালে পুরানো পেটের অসুখ সেরে যায়।

৯.হৃদ রোগ সারায়ঃ আদার রসে সমপরিমাণ জল মিশিয়ে খেলে হার্টের বা হৃদরোগ সারে।

১০.মাথা ব্যথা সারাতেঃ আদা থেঁতো ও গুড়ের ছোট পুঁটুলি বেঁধে সেই রসের ফোঁটা নাকের দিলে আধ কপালে মাথা ব্যথা সারে।

এছাড়া ১চা চামচ আদার রসে ১চা চামচ পাতি লেবুর রস ও লবণ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেলে অজীর্ণ ও আমাশা সারে,রুচি বৃদ্ধি পায়, খাবার ঠিক মতো হজম হয়, ঢেকুর ওঠা বন্ধ হয়,বায়ু কোষ্ঠ্কাঠিন্য সারে।

কাঁচা আমলকী কেন খাবেন( Why eat raw mango)?

ওয়েবডেস্ক(Webdesk) হজম শক্তি বাড়াতে ও কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থাকলে আমলকী অব্যর্থ ঔষুধ,এই কথা এখন সবাই জানে। এছাড়াও আরও বহুমুখী কার্যকারিতা এই আমলকির রয়েছে।কিন্তু আমলকীর উপকার এখানেই থেমে নেই, এ এক মহৌষধী। এর উপকার বলে শেষ করার মত নয়।। দেখেনিন আমলকীর আর কি কি গুন রয়েছে, যার জন্য আপনি আমলকী খেতে পারেন।

 ১.মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতায়(The brain’s ability to function) মাথা ও হৃদয়ের বেশ কিছু সমস্যার ক্ষেত্রে আমলকী উপকার করে।আমলকী মাথায় রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা বহু গুনে বৃদ্ধি করে।

২.ব্লাড সুগার(Blood sugar) ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রন করে এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য কর থাকে।

.বদ হজম(Indigestion) হজম শক্তি বাড়াতে আমলকীর তুলনা হয় না। এসিডিটির ক্ষেত্রেও আমলকী দারুন ভাবে কাজ দেয়।

৪.বমি বমি ভাব (Nausea) অনেকেরই এই সমস্যাটা অনেক বেশি দেখা দিয়ে থাকে। বমি বমি ভাব আমলকী সেবনে অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

.খিদে বাড়াতে(To increase hunger) ক্ষুধামন্দায় যারা ভুগছে তাদের খিদে বাড়াতে আমলকী অনেক ভাল কাজ দেয়।

৬.ভিটামিন এর ঘাটতি(Vitamin deficiency) শরীরের ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১,বি২ এর ঘাটতি পূরন করে ।এছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।

৭.সর্দি-কাশিতে (Cold-cough) এইটা মানুষের কমন একটি সমস্যা।সর্দি কাশির সমস্যায় ভালো কাজ দেয় আমলকী।

৮.দাঁত ও নখে(Teeth and nails) রক্তে লোহিত  রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে এবং দাঁত ও নখ ভালো রাখে, শক্ত করে।

৯.পেটের সমস্যায়(Stomach problems)  পেটের পীড়ায় উপকারী এই ফলটি।আমলকী মানুষের পেটেরে সমস্যা নিরাময় করে থাকে।

১০.চুলের সমস্যা(Hair problems) চুল নিয়ে ভাবনা আর না আর না।আজকাল চুলের সমস্যা সকলেই ভুগছেন। আমলকী চুলের সমস্যায় খুবই উপকারী।

১১. পাইলসের সমস্যা(The problem with piles) যাদের এই সমস্যাটা আছে তারা সেবন করুন আমলকী।পাইলসের সমস্যা দুর করতে নিয়মিতি আমলকী ফল সেবন করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

১২.চোখের সমস্যা(Eye problems) চোখে চুলকানি,চোখ দিয়ে জল পড়া, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় আমলকী।১৩.খুসকি(Dandruff) আমলকী খুসকিতে খুবই ভালো কাজ দেয়। চুলের গোড়া শক্ত ও চুল দ্রুত বৃদ্ধি করে আমলকী।

১৪.যৌন সমস্যা(Sexual problems) বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এইটা একটি বিরাট সমস্যা।অনেকেই যৌন সংক্রান্ত নানান সমস্যায় ভোগেন। সেই সমস্যা দুর করেত পারে আমলকী।যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে।

১৫.রক্তশুন্যতাই(Anemia) রক্তশুন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে আমলকী।রক্ত তৈরি ও দেহ সচল রাখতে  সাহায্য করে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

নিম পাতার উপকারিতা

নিম গাছের বৈজ্ঞানিক নামঃ ( Azadirachta indica) নিম একটি ঔষধি  গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে ঔষধি গাছ হিসাবে নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে গত পাঁচ হাজার বছর ধরে। প্রকৃতি কী করে একই সঙ্গে সমস্যা এবং সমাধান ধারণ করে রেখেছে তার উৎকৃষ্ট উধারণ নিম। নিমের আছে ১৩০টি ঔষধি গুণ। আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের বিস্ময়কর উপকারিতা গুলো।

১.ব্রণ তাড়ায়ঃ( Acne chase) কিছু নিম পাতা গুড়ো করে পেস্ট বানিয়ে ব্রণে লাগিয়ে দিন। যতদিন ব্রণ না শুকোচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এভাবে লাগিয়ে যান। মুখের যেকোনো ধরনের ফুসকুড়ি,ডার্ক স্পট এবং দীর্ঘ মেয়াদি ঘা দুর করে নিম।

২.চোখের সমস্যা দুর করেঃ (Eliminates eye problems) কিছু নিম পাতা সেদ্ধ করার পর পানিটুকু ছেঁকে পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিন। এরপর সেই পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। এতে চোখের যেকোনো ধরনের প্রদাহ,ক্লান্তি বা লালচে ভাব দুর হবে।

৩.খুশকি তাড়ায়ঃ(Chases dandruff) পরিমান মতো পানি ও নিম পাতা নিয়ে সেদ্ধ করূন। যতক্ষন না পানিটা নীল হচ্ছে। এরপর তা ঠান্ডা করে রাখুন। গোসলের সময় চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধোয়ার পর এই পানি দিয়ে মাথা পরিস্কার করুন।

 ৪. ক্ষত সারায়(Heals wounds)  নিম পাতা বেটে পেস্ট বানিয়ে আঘাতজনিত ক্ষত বা কীটপতঙ্গের কামড়ে সৃষ্ট ক্ষততে প্রতিদিন কয়েকবার করে লাগালে তা দ্রত সেরে যায়।

৫.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ (Increases immunity)  কিছু নিম পাতা চুর্ণ করে এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করলে রোগ প্রতিরোদ ক্ষমতা বহুগুন বাড়ে ।

৬.কানফোঁড়া সাড়ায়(Heals ear ulcers) কিছু সংখ্যক নিম পাতা গুড়ো করে এর সঙ্গে মধু মিসিয়ে নিন। যেকোনো ধরনের কানফোঁড়া সারাতে এই মিশ্রণের কয়েক ফোঁটাই যথেষ্ট।

৭.অন্যান্য ত্বকের সমস্যাও দুর করেঃ (Eliminates other skin problems)  নিম পাতা গুড়ো করে পেস্ট তৈরি করে তার সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে যেকোনো ধরনের খুজলি,একজিমা,রিঙ ওয়ার্ম এবং প্রদাহ জনিত ত্বকের রোগ সারানো যায়।

ত্বকের যত্নে করনীয়(Skin care)

রোদে গেলে আবহাওয়া পরিবর্তন হলে অথবা কোনো প্রসাধনী সামগ্রী ত্বকে লাগালে যদি ত্বক লাল হয়, জ্বালাপোড়া করে অথবা ত্বক শুষ্ক হয় অথবা ফুসকুড়ি(র‌) হয় কিংবা ব্রণ হয়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার সংবেদনশীল।

করনীয়(Things to do)

১.সংবেদনশীল ত্বকের বিশেষভাবে যন্ত নেয়া অত্যন্ত জরুরি।

২.প্রাকৃতিক ভাবে(Familial)ত্বক সংবেদনশীল হতে পারে।অথবা কোনো মেডিকেল কারণে(Eczema,contact Dermatitis,Seborrheic Dermatitis)হতে পারে।সুতরাং সংবেদনশীল ত্বকের ধরন নির্ণয় করার জন্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

*সংবেদনশীল ত্বকের বিশেষ যন্ত নেয়ার ৭টি কার্যকারী টিপস।

১.ত্বক পরিষ্কার করার আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

২.মুখ ধোয়া  এবং ত্বক পরিষ্কার করার পর একটি paraben free ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত ব্যবহার করবেন। যার উপকরণ এলেনটয়েন/Alovera/Hyaluronic Acid/নারিকেল(Coconut)Shea/butter/শশা/Ceramides/Vitamin E হবে।

৩.Gentle/mild cleanser and soap free face wash মুখের ত্বকের এবং ক্লেনজার শরীরের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করতে হবে।

৪.মুখে কখনও সাবান ব্যবহার করা যাবে না।

৫.দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করা এবং গরম পানি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। কারণ ত্বকের ন্যাচারাল ওয়েলকে সরিয়ে দেয়।যার ফলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়।

৬.নারীদের ক্ষেত্রে ভারী ম্যাকআপ থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে ব্রণ ও দাগের সমস্যা হতে পারে। রাতে ম্যাকআপ না তুলে ঘুমাতে যাবেন না। ম্যাকআপ রিমুভার দিয়ে ম্যাকআপ তুলে মুখ ধুয়ে শুতে যাবেন।

৭.যে কোনো প্রসাধনী পণ্য ব্যবহার করার পূর্বে কান ও ঘাড়ের  পিছনে অল্প একটু লাগিয়ে পরিক্ষা করে নিতে হবে। ৭২ ঘণ্টা পর যদি কোনো এলার্জিক প্রতিক্রিয়া না হয় তাহলে বুঝতে হবে পণ্যটি ব্যবহার করার উপযুক্ত।